Text size A A A
Color C C C C
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

রামগতি উপজেলা মৎস্য বিভাগ ১৯৮৪ সাল হতে মৎস্য চাষী, মৎস্যজীবীদের মাঝে সেবা কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছে। দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি প্রভৃত্তি ক্ষেত্রে এই সেক্টর বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে। এছাড়া ও মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র সংরক্ষনে এ সেক্টর অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে আসছে।দেশের মৎস্য সম্পদের উন্নয়নের জন্য দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ দপ্তর প্রতিষ্ঠার পর হতে নিরলশ পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সরকার কর্তৃক জেলেদের নিবন্ধন ও পরিচয় পত্র প্রদান কার্যক্রম বাস্তবায়নে কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ দিন রাত পরিশ্রম করে একটি অবাধ সুষ্ঠু জেলে তালিকা প্রস্তুত করতে পেরেছে ফলে ভবিষ্যতে এ উপজেলার জেলেদের মাঝে ভিজিএফ কার্যক্রম, প্রকৃত জেলেদের সনাক্তকরন, ত্রান বিতরন সহ সকল ধরনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন সমভব হবে। মার্চ-এপ্রিল এ দুই মাস চাদপুর জেলার ষাটনল হতে লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনা নদীর মোট ১০০ কিমি ইলিশ অভয়াশ্রম হওয়ায় অত্র দপ্তর বাংলাদেশ কোষ্টগার্ডের সহযোগীতায় অভিযান পরিচালনা করে থাকে এবং বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল আটক করে এবং তা পুড়ে বিনষ্ট করে থাকে।

 

২০০৯-১০ অর্থ বছর হতে প্রতি বছর এ দুই মাস অবৈধ জাটকা আহরনকারীদেরকে জাটকা ধরা হতে বিরত রাখার জন্য জেলেদের মাঝে বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য হাস, গরু ছাগল, সুতা, সেলাই মেশিন, ভেনগাড়ী, ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য নগদ অর্থ প্রদান করে আসছে।তাছাড়া ২০০৯-১০ অর্থ বছর হতে জেলেদের মাঝে  ভিজিএফ কার্যক্রমের আওতায় খাদ্য সহায়তা প্রদান করে আসছে। শুধু ২০১২-১৩ অর্থ বছরে প্রায় ১৩৯৪০ জন জেলেকে ৪ মাসে জনপ্রতি ১২০ কেজি হারে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে যা এত বড় কার্যক্রম সত্যি সরকার তথা দপ্তর প্রসংশার দাবিদার। রামগতি উপজেলার বিভিন্ন খালে অবৈধভাবে স্থাপিত ভেসাল জাল রোধে এবং দেশীয় প্রজাতির মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অভিযান পরিচালনা করে আসছে। তাছাড়া অবৈধ বেহুন্দি জাল রোধে বাংলাদেশ কোষ্টগার্ডের সহযোগীতায় অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

ছবি